আবারও মহিলাদের লক্ষ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। দিনের পর দিন এমনই ঘটনা চলার পর অবশেষে প্রতিবাদে মুখর হল এক কলেজছাত্রী। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গণধোলাই দিল উত্তেজিত জনতা। সমস্ত ঘটনা ঘুরে বেড়াচ্ছে সোস্যাল সাইটে।
মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র বৃন্দাবনী ময়দান। প্রতিদিনই প্রচুর মানুষ এখানে ঘোরাফেরা করে। মালদা শহরের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ গত বেশ কয়েকদিন ধরেই ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশেষ করে বৃন্দাবনি ময়দান, মালদা শুভংকর শিশু উদ্যান সহ শহরের বিভিন্ন জায়গায়। যেখানে বিকেলবেলা ও সন্ধ্যেবেলা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ঘুরতে যাই সেখানে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করছিলো ওই অভিযুক্ত বৃদ্ধ বলে অভিযোগ। এরপর স্থানীয় লোকজন ওই ব্যক্তিকে ধরে নেয় চলে উত্তম-মধ্যম গণধোলাই। প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করায় স্থানীয় জনতা। পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন রকমে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচে। যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এই ঘটনাটি ওই কলেজ ছাত্রী সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরলে হইচই পড়ে যায়। সোশ্যাল সাইটে সমস্ত ঘটনা দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ওই প্রতিবাদী কলেজ ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, এদিন বেশ কয়েকজন বান্ধবীর সাথে সা মাঠে বসেছিল সেই সময় তারা সকলেই লক্ষ্য করে এক ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ তাদের লক্ষ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করছিলো। সেই সময় তারা সকলে মিলে প্রতিবাদ করে উঠে।
যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বয়স প্রাথমিক ভাবে দেখে মনে হয় ষাটোর্ধ্ব। এটা একটা মানসিক অসুখ। এমনটাই মনে করেন জেলার মনোরোগ বিশেষজ্ঞ পর্নেশা গুপ্ত রায়। মানসিক রোগের ভাষায় এই অসুখকে বলে যৌন প্রদর্শনী। এধরনের ব্যক্তির চিকিৎসার প্রয়োজন।
সমস্ত ঘটনা সোশ্যাল সাইটে দেখে সরব হয়েছেন মালদা কলেজের অধ্যাপিকা অনুরাধা কুন্ডা। তিনি বলেন এ ধরনের ঘটনা অতীতেও ঘটতো এখনো ঘটছে। তবে সোশ্যাল সাইটে এখন শক্তিশালী হওয়ায় মেয়েরা প্রকাশ্যে প্রতিবাদে এগিয়ে আসছে। এধরনের ঘটনা রক্ষার জন্য কঠোর আইনি পদক্ষেপ প্রয়োজন।
মালদা মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপিকা সমাজতত্ত্ব কৃষ্ণা গুহ মনে করেন, এই ধরনের ঘটনাকে কেবল মানসিক অসুখ বা আইনি পদক্ষেপ দিয়ে হবেনা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সামাজিক বয়কটের প্রয়োজন তাহলেই হয়তো কিছুটা হলেও এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।
সমস্ত ঘটনা জানতে পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা নারী ও শিশু কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান চৈতালি ঘোষ সরকার। সেই সঙ্গে
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/1U0idYtt7E8